নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দ্য ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

এক্সিকিউটিভ পদে ক্যারিয়ার গড়ুন

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দ্য ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘এক্সিকিউটিভ’ পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারেন।

পদের নাম

এক্সিকিউটিভ, কিউসি/কিউএ।

পদসংখ্যা

যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নিয়োগ দেওয়া হবে।

যোগ্যতা

সরকার স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.ফার্মা/রসায়ন/ফলিত রসায়ন/প্রাণরসায়ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। অভিজ্ঞতাধারি প্রার্থীরা অগ্রধিকার পাবেন।  আবেদনের বয়সসীমা ন্যূনতম ২৫ থেকে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের গাজীপুরে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বেতন-ভাতা

বেতন আলোচনা সাপেক্ষে। এ ছাড়া প্রফিট শেয়ার, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচ্যুয়েটি, বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধিসহ উৎসব বোনাস দেওয়া হবে।

আবেদনের প্রক্রিয়া

প্রার্থীদের সদ্যতোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবিসহ জীবনবৃত্তান্ত ও অন্যান্য কাগজপত্র পাঠাতে হবে নিম্নোক্ত ঠিকানায়।

ঠিকানা : হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট, দ্য ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, তানিন সেন্টার, ৩ আসাদ গেট, মিরপুর রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।

আবেদনের শেষ তারিখ

আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১১ মে, ২০১৯ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

দি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড (সংক্ষেপে আইপিআই) হল বাংলাদেশের একটি ঔষুধ উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৮৩ সালে ইবনে সিনা ট্রাস্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। ইবনেসিনার প্রধান কার্যালয় গাজীপুরের সফিপুরে অবস্থিত। কোম্পানির বর্তমান চেয়ারম্যান হলেন শাহ আব্দুল হান্নান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক একিএম সদরুল ইসলাম। এটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভূক্ত কোম্পানি।

বাংলাদেশে উন্নত স্বাস্থ্য সেবার প্রদানের উদ্দেশ্যে ৩০ জুন ১৯৮০ তৎকালীন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ফুয়াদ আব্দুল হামিদ আল খতিবের অর্থায়নে ইবনেসিনা ট্রাস্ট গঠিত হয়। এই ট্রাস্টের অংশ হিসাবে উন্নতমানের ঔষুধ উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৯৮৩ সালে দি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়। দি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড ২০১৫ সালে আইসিএসবি পুরস্কার পায়।[৪] বর্তমানে এ কোম্পানি ৮টি দেশে (মায়ানমার, শ্রীলংকা, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, কেনিয়া, সোমালিয়া ও আফগানিস্তান) ঔষুধ রপ্তানি করে এবং আরও ১০টি রপ্তানি প্রক্রিয়া চলছে।